(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Wednesday, March 27, 2013

শিলিগুড়িতে কং-তৃণমূল কোন্দল তুঙ্গে, মেয়র আদালতের দ্বারস্থ


শিলিগুড়িতে কং-তৃণমূল কোন্দল তুঙ্গে, মেয়র আদালতের দ্বারস্থ

নিজস্ব প্রতিনিধি

কলকাতা , ২৬শে মার্চ — শিলিগুড়ি কর্পোরেশন কার দখলে এই নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের জোটের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন হাইকোর্টের এজলাসে এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি কর্পোরেশনের মেয়র গঙ্গোত্রী দত্ত বিচারপতি জয়ন্ত বিশ্বাসের এজলাসে কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়া নান্টু পালের রাজনৈতিক গতিবিধিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর পক্ষের আইনজীবী অরুণাভ ঘোষের স্পষ্ট অভিযোগ ছিল যে, এভাবে দল ছেড়ে গিয়ে ক্ষমতা দখল করার কোন বৈধতা নেই আইনের চোখে। নান্টু পাল তাই দলত্যাগ আইনের আওতায় পড়ে গেছেন। সেই আইন বলেই নান্টু পালের অপরাধের বিচার হওয়া উচিত। অপর পক্ষ অর্থাৎ নান্টু পালের আইনজীবী সৌরভ চক্রবর্তীর বক্তব্য ছিল, কংগ্রেসের মেয়র গঙ্গোত্রী দত্ত যে অধিবেশনে নির্বাচিত হয়েছিলেন মেয়র পদের জন্য সেই অধিবেশনে ‘কোরাম’–ই হয়নি। ফলে তিনিও সর্বজন গ্রাহ্য মেয়র নন। তাছাড়াও এই মুহূর্তে শিলিগুড়ি কর্পোরেশনে প্রতিনিধিত্বমূলক শক্তির বিচারে কংগ্রেস যেহেতু সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে তাই সেক্ষেত্রে সেই দলের কোন কাউন্সিলারকে আর মেয়র মানা যায় না। তাই এখন আর তাঁর কোন মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ নয়।

বিচারপতি দুই পক্ষের প্রাথমিক বক্তব্য শুনে এদিন জানান যে, আগামী সোমবার মামলার বিস্তারিত শুনানি হবে। বিচারপতি এদিন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়া চেয়ারম্যান নান্টু পালের কাছ থেকে জানতে চেয়েছেন যে, তিনি ক্ষমতাসীন বোর্ডে কোন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন তা লিখিতভাবে ঘোষণা করে জানাতে হবে আদালতকে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে শিলিগুড়ি কর্পোরেশনে খাতায় কলমে এখনো কংগ্রেসের ১৫, তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ এবং বামফ্রন্ট ১৭ জন নির্বাচিত কাউন্সিলর আছেন। তার মধ্যে কংগ্রেসের দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত কাউন্সিলর নান্টু পালের দাবি তিনি আর কংগ্রেসে নেই। আর সেই জন্যেই তাঁর সেই একক সিদ্ধান্তের বিবেচনায় কংগ্রেস তৃণমূল কংগ্রেসের তূলনায় সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে। আদালতকে তার পরিপ্রেক্ষিত ধরেই সেই বিষয়টির বিচার করতে হবে।

No comments:

Post a Comment