(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Friday, March 29, 2013

অভি‍‌যোগ তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে গরিবের বাড়ি সংস্কারের টাকা আত্মসাৎ পুরুলিয়ায়|


অভি‍‌যোগ তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে গরিবের বাড়ি সংস্কারের টাকা আত্মসাৎ পুরুলিয়ায়|

নিজস্ব সংবাদদাতা

পুরুলিয়া, ২৮শে মার্চ — জল থেকে রাস্তা, বস্তি উন্নয়ন থেকে হোর্ডিং সবেতেই তৃণমূল পরিচালিত পুরুলিয়া পৌরসভার দুর্নীতি। কেউ কাউকে মানেন না — কারুর কথা কেউ শোনেন না, সহস্রাধিক অস্থায়ী কর্মী বেতন পান না — অথচ কাউন্সিলারদের জন্য দামী ট্রলিব্যাগ কেনা হয় পৌরসভা থেকে। গরিব বস্তিবাসীর গৃহনির্মাণ না করেই কাউন্সিলার-ঠিকাদার যোগসাজশে বহু টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠলো এক তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যান তারকেশ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, সমগ্র বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। সি পি আই (এম) পুরুলিয়া শহর জোনাল সম্পাদক কৌশিক মজুমদার জানিয়েছেন, পৌরসভার দুর্নীতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, একেবারে গরিব মানুষের পেটেও লাথি মারা হচ্ছে। নীতি-নৈতিকতাহীন দলের সদস্যরাই এমন কাজ করতে পারে। একটার পর একটা দুর্নীতি হচ্ছে, প্রশাসনকে জানানো সত্ত্বেও কোনও কাজ হয়নি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।

গত বছর বর্ষার সময় পুরুলিয়া শহরের বস্তি এলাকার বেশ কিছু মাটির বাড়ি বসবাসের অযোগ্য হয়ে গিয়েছিল। বি পি এল তালিকাভুক্ত সেইসব গরিব বস্তিবাসীদের বাড়ি তৈরি ও সংস্কারের জন্য বাড়ি পিছু ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রতি ওয়ার্ডে তিনটি করে বাড়ি চিহ্নিতও করা হয়েছিল। সেই বাড়ি নির্মাণ ও সংস্কার নিয়েই পুরুলিয়া শহরের ৭নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে উঠছে দুর্নীতির অভিযোগ। বাড়ি তৈরি বা সংস্কার না করেই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিবেস দাস, শ্যামল দে ও ছায়া পাণ্ডের বাড়ি সংস্কারের জন্য অর্থমঞ্জুর করা হয়েছিল। শ্যামল দে ও ছায়া পাণ্ডের বাড়ির আংশিক কাজ হলেও শিবেস দাসের বাড়ির কোনও কাজ হয়নি। অথচ বাড়ি না করেই ঠিকাদারকে শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তৃণমূল কাউন্সিলার গীতা মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। যদিও অভিযুক্ত কাউন্সিলার অস্বীকার করেছেন সেই অভিযোগ। কিন্তু ঘর যে হয়নি একথা সত্য। কংগ্রেস কাউন্সিলার বিভাস দাস বলেছেন, জেলা প্রশাসনকে সমস্ত ঘটনা জানানো হয়েছে।

পৃথক দুর্ঘটনায় মৃত ৪

নিজস্ব সংবাদদাতা : পুরুলিয়া, ২৮শে মার্চ — বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার দোলের উৎসবের মধ্যে ৪টি পৃথক পথদুর্ঘটনায় মৃত্যু হলো চারজনের। বৃহস্পতিবার দুপুরে হুড়া থানার বাউরিডি গ্রামের অদূরে হোলি খেলে বাড়ি ফেরার সময় মোটর সাইকেল উলটে গেলে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। মৃতের নাম সাণ্ডা কর্মকার। বাড়ি বোকারো জেলার মিদ্দা গ্রামে। মোটর সাইকেলে থাকা অপর আরোহী গুরুতর জখম অবস্থায় সদর হাসপাতালে ভর্তি।

বুধবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া-জামশেদপুর জাতীয় সড়কে মোটর সাইকেলের ধাক্কায় মারা যান অয়ন মাহাত (১৭) নামে এক কিশোর। বাড়ি মফঃস্বল থানার টামনা গ্রামে। ঐ একই দিন রাতে রঘুনাথপুর-বাঁকুড়া সড়কে হাঁসডিমা গ্রামের কাছে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জে সি বি গাড়িকে ধাক্কা মারে দ্রুতগতিতে ছুটে আসা একটি মোটর সাইকেল। ঘটনাস্থলেই মারা যান মোটর সাইকেল আরোহী দীপক মণ্ডল (৩০)। বাড়ি রঘুনাথপুর শহরে। বুধবার রাতেই আরশা থানার বেলডি গ্রামের কাছে ট্রাক্টরের ধাক্কায় মারা যান মানিক গোপ (২২) নামে এক যুবক। মৃত যুবক বেলডি গ্রামের বাসিন্দা। পুলিস ঘাতক ট্রাক্টর ও তার চালককে আটক করেছে।

No comments:

Post a Comment